• লেইটেস্ট

    কামিং সুন

    বুধবার     ৮ জুলাই, ২০২০  

    সফলতা ও উন্নয়নে দরকার সঠিক তথ্য

    বি আওয়ার ফ্রেন্ডস

    করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে ২০২১ সাল নাগাদ লাগতে পারে!

    করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে ২০২১ সাল নাগাদ অপেক্ষা করতে হবে বলে ইউরোপিয়ান এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন। ছবি-সংগৃহীত

    ইউরোপিয়ান রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র

    করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে ২০২১ সাল নাগাদ লাগতে পারে!

    প্লানেট ডেস্ক | ২৮ এপ্রিল ২০২০ | ১১:০১ অপরাহ্ণ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু’র মতে, প্রাণঘাতি নভেল করোনাভাইরাসের মহামারি ঠেকানোর উপায় একটাই। তা হলো ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক। কিন্তু সেই বহু প্রত্যাশিত ভ্যাকসিন কবে তৈরি হবে এ নিয়ে একেক বিশেষজ্ঞ বা সংস্থা একেক রকম কথা বলছেন। যেমন হু’র করোনাসংক্রান্ত রেসপন্স টিমের প্রধান টেকনিক্যাল কর্মকর্তা ড. মারিয়া ভ্যান কেরখোব গত ২৪ এপ্রিল মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন যে করোনার কার্যকর ওষুধের খোঁজ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

    এবার ইউরোপিয়ান একজন বিশেষজ্ঞের মত, করোনার ভ্যাকসিন পেতে কমপক্ষে আগামী বছরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগতে পারে। তাও এ সময়টা হচ্ছে সবচেয়ে আশাবাদী প্রেক্ষাপট বিবেচনায়। অর্থাৎ আরও বেশি সময় লাগতে পারে। ব্রিটিশ টিভি চ্যানেল স্কাই নিউজকে একথা বলেন ইউরোপিয়ান রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (ইসিডিসি) ফ্লু বিশেষজ্ঞ পাসি পেন্টিনেন।



    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভ্যাকসিন তৈরি একটি খুবই জটিল ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করে প্রতিষেধক হিসেবে কিছু একটা তৈরি করা হলে সেটা হতে পারে মানবজাতির জন্য উল্টো বিপজ্জনক। তাই এ বিষয়ে সাবধানতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে ইসিডিসির ড. পেন্টিনেন স্কাই নিউজকে বলেন, ‘ভ্যাকসিন তৈরি একটি বিশাল জটিল ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।’

    কোনো ভ্যাকসিন নিরাপদ ও কার্যকর কিনা তা নিশ্চিত করতে মানবশরীরে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধাপ রয়েছে। তারপরই সেটা চূড়ান্তভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয় যোগ করে ওই কথা বলেন তিনি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্বের জন্য পর্যাপ্ত হবে সেই পরিমাণে ভ্যাকসিন তৈরির উৎপাদন সামর্থ্য নিশ্চিত করার দরকার রয়েছে বলেও জানান ইউরোপিয়ান এ বিশেষজ্ঞ।

    এই স্টোরিটিও আপনার ভালো লাগতে পারে : কোভিড-১৯ : কার্যকর ওষুধের খোঁজ পেতে কয়েক মাস লাগতে পারে : হু

    ২০২১ সাল নাগাদ অর্থাৎ আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করা সম্ভব হলে সেটাও বিস্ময়কর একটা ব্যাপার হবে বলে যোগ করেন ড. পেন্টিনেন। তার ভাষায়, ‘দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি করা গেলে সেটাও মিরাকলের চেয়ে কম হবে না।’ ড. পেন্টিনেন ইসিডিসির ফ্লু ও ফুসফুসজনিত অন্যান্য ভাইরাস প্রোগ্রামের প্রধান।

    উল্লেখ্য, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যানুসারে, নভেল করেনাভাইরাসে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বে তিরিশ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন অন্তত ২ লাখ ১১ হাজার। সূত্র : সিএনএন

    ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

  • আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    কতটি দেশে এখন বাংলাদেশের মিশন রয়েছে?
    কতটি দেশে এখন বাংলাদেশের মিশন রয়েছে?