• লেইটেস্ট

    কামিং সুন

    বুধবার     ৮ জুলাই, ২০২০  

    সফলতা ও উন্নয়নে দরকার সঠিক তথ্য

    বি আওয়ার ফ্রেন্ডস

    করোনাভাইরাস মহামারি আরও দেড় থেকে দুই বছর স্থায়ী হবে

    করোনাভাইরাস আরও দুই বছর সংক্রমণ ছড়াতে পারে। ছবি-সংগৃহীত

    মার্কিন বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস

    করোনাভাইরাস মহামারি আরও দেড় থেকে দুই বছর স্থায়ী হবে

    প্লানেট ডেস্ক | ০১ মে ২০২০ | ৮:০২ অপরাহ্ণ

    নভেল করোনাভাইরাস আরও অন্তত দেড় থেকে দুই বছর সংক্রমণ অব্যাহত রাখতে পারে। অর্থাৎ জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সংক্রমিত না হওয়া পর্যন্ত তা থামবে না বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন একদল সুপ্রিতিষ্ঠিত মার্কিন বিশেষজ্ঞ। ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার গবেষকদের তৈরি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি ৩০ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে।

    গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক ব্যাধি গবেষণা ও নীতিনির্ধারণী বিষয়ক কেন্দ্র সিআইডিআরএপি’র পরিচালক মাইক অস্টারহোম। তাকে সহায়তা করেছেন কয়েকজন রোগতত্ত্ববিদ ও একজন ইতিহাসবিদ।



    প্রতিবেদনে করা পূর্বাভাস প্রসঙ্গে মাইক অস্টারহোম মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, ‘জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষকে সংক্রমিত না করা পর্যন্ত এই জিনিসটি (করোনাভাইরাস) থামছে না। এটা (ভাইরাসটি) শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে বলে যে ধারণা বিদ্যমান রয়েছে তা অণুজীববিদ্যার সঙ্গে যায় না।’

    মাইক অস্টারহোম গত ২০ বছর ধরে ভাইরাসজনিত মহামারির ঝুঁকি নিয়ে লেখালেখি করছেন। তিনি এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এ বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন।

    কোভিড-১৯ একটি নতুন রোগ হওয়ায় এই মুহূর্তে কারোরই এ থেকে সুরক্ষা নেই, বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদনটিতে তারা লিখেছেন, ‘করোনা মহামারির স্থায়িত্ব ১৮ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত হতে পারে কারণ মানব জনসংখ্যার মাঝে ভাইরাসের সংক্রমণ হ্রাস আস্তে আস্তে উন্নতি হবে।’

    এই স্টোরিটিও আপনার ভালো লাগতে পারে:  করোনাভাইরাসে নারীদের চেয়ে পুরুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা দ্বিগুণের বেশি

    প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভয়ানক পূর্বাভাস দিয়েছেন গবেষকরা। এতে দেশটিকে আগামী ফল ও উইন্টার মৌসুমে বড় ধরনের দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণসহ ভয়াবহ পরিস্থতির জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এমনটি দেশটিতে ভাইরাসের সম্ভাব্য ভালো পরিস্থিতিতেও প্রাণহানি অব্যাহত থাকবে বলে হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

    ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন এবং ব্রিটেনের ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডনও এর আগে করোনাভাইরাস নিয়ে পৃথক প্রতিবেদন দিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে যথাক্রমে ২০ লাখ ও ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণা প্রতিবেদন তৈরিতে ওই দুটি প্রতিবেদন, অতীতের মহামারিসংক্রান্ত ঐতিহাসিক তথ্য এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত প্রকাশিত মেডিকেল প্রতিবেদন ব্যবহার করেছেন।

    উল্লেখ্য, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যানুসারে, কোভিড-১৯ রোগে, নভেল করোনাভাইরাসের অফিসিয়াল নাম, সর্বশেষ খবর পর্যন্ত সারা বিশ্বে ৩২ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা ও প্রাণহানি দুটিতেই বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে সর্বশেষ খবর পর্যন্ত প্রায় ১১ লাখ মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন অন্তত ৬৩ হাজার। সূত্র : সিএনএন

    ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

  • আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    কতটি দেশে এখন বাংলাদেশের মিশন রয়েছে?
    কতটি দেশে এখন বাংলাদেশের মিশন রয়েছে?