• লেইটেস্ট

    কামিং সুন

    বুধবার     ৮ জুলাই, ২০২০  

    সফলতা ও উন্নয়নে দরকার সঠিক তথ্য

    বি আওয়ার ফ্রেন্ডস

    করোনাভাইরাস সংক্রমণ : সেরা সুরক্ষা দেবে ঘরে তৈরি কটন মাস্ক!

    করোনার সংক্রমণ থেকে কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারে ঘরে তৈরি কাপড়ের মাস্ক। ছবি-সংগৃহীত

    শিকাগো ইউনিভার্সিটি গবেষকদের দাবি

    করোনাভাইরাস সংক্রমণ : সেরা সুরক্ষা দেবে ঘরে তৈরি কটন মাস্ক!

    প্লানেট ডেস্ক | ২৮ এপ্রিল ২০২০ | ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ

    নভেল করোনাভাইরাসবিরোধী লড়াইয়ে কটন কাপড় ও প্রাকৃতিক সিল্ক বা শিফনের সমন্বয়ে ঘরে তৈরি ফেস মাস্ক সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা দেয় বলে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর একদল গবেষক দাবি করেছেন। তাদের পরিচালিত গবেষণার ফলাফল ‘এসিএস ন্যানো’ নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

    করোনাভাইরাস প্রধানত আক্রান্ত ব্যক্তির নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত অতি ক্ষুদ্র দানার (অ্যারোসল ড্রপলেট নামে পরিচিত) মাধ্যমেই একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। এজন্য এ ভাইরাসের সম্ভাব্য সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বিশেষ করে ঘরের বাইরে বের হওয়ার সময় ফেস মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ ও বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসিও মানুষকে বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরার সুপারিশ করেছে। এরই সঙ্গে যেন সংগতিপূর্ণ ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর পরিচালিত ওই গবেষণা।



    গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, দুইস্তরের কটন কাপড়ের মাঝে স্থাপিত শিফন কাপড়ের একটি শিট আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে নির্গত দানা ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত ঠেকাতে সক্ষম। এ প্রসঙ্গে প্রবন্ধের লিড লেখক সুপ্রতীক গুহ বলেন, ‘দুইস্তরবিশিষ্ট পলিস্টার-স্পানডেক্স শিফন কাপড় এবং নিখুঁত বুননের একস্তরবিশিষ্ট কটন শিট দিয়ে তৈরি মাস্ক অধিকাংশ অ্যারোসল দানা (হাঁচি বা কাশির সঙ্গে নির্গত অতি ক্ষুদ্র দানা) ছাঁকতে সক্ষম।’

    তিনি আরও বলেন, ‘গভীর বুননে তৈরি ফ্যাব্রিক্স যেমন কটন কাপড় দানার (হাঁচি বা কাশি) মেকানিক্যাল বাধা হিসেবে কাজ করতে পারে।’ গবেষকরা বলছেন, কটন-শিফন বা প্রাকৃতিক সিল্কের তৈরি মাস্ক হাসপাতালে চিকিৎসক বা নার্সদের পরিধেয় শেডের মতোই ভালো। এখানে উল্লেখ্য, পলিস্টার-স্পানডেক্স শিফন কাপড় প্রধানত রাত্রীকালীন গাউন ও স্টাইলিশ পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

    এই স্টোরিটিও আপনার ভালো লাগতে পারে :  করোনাভাইরাস : মাস্ক পরার সঠিক উপায়

    ব্রিটিশ জনগণকে কর্মস্থল এবং গণপরিবহনে ফেস মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ব্রিটিশ সরকারকে জানিয়েছেন যে, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সহায়তা করতে পারে মাস্ক। মূলত এরপরই জনগণকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তার দেশের জনগণকে মাস্ক বিশেষ করে কাপড়ের তৈরি মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছেন। আর জার্মানিতে ২৮ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন ও শপিংমলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    এখানে বলা দরকার, সার্জিক্যাল মাস্ক প্রধানত চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা পরে থাকেন। করোনাভাইরাসের মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের মাস্কের সংকট তৈরি হয়েছে। তাই বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষকে ঘরে তৈরি মাস্ক পরার আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র : মেইল অনলাইনের

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ২০ জানুয়ারি ২০১৮

    ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

  • আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ