• লেইটেস্ট

    কামিং সুন

    বুধবার     ৮ জুলাই, ২০২০  

    সফলতা ও উন্নয়নে দরকার সঠিক তথ্য

    বি আওয়ার ফ্রেন্ডস

    নভেল করোনাভাইরাস : স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা হারানোও উপসর্গ!

    স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলাও করেনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ হতে পারে বলে নতুন এক জরিপে দেখা গেছে। ছবি-সংগৃহীত

    গবেষণা বলছে

    নভেল করোনাভাইরাস : স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা হারানোও উপসর্গ!

    এম এস খান | ২৪ এপ্রিল ২০২০ | ৯:১৩ অপরাহ্ণ

    জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা, ডায়রিয়া, দুর্বলতা, গা মেজমেজে ভাব এগুলো নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির লক্ষণ বা উপসর্গ হতে পারে। সবগুলো লক্ষণই একজন রোগীর শরীরে দেখা দিতে পারে তা কিন্তু নয়। তবে জ্বর সাধারণ উপসর্গ অর্থাৎ জ্বর দিয়েই কারও শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি প্রকাশ পেতে পারে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গ ছাড়াও কারও শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হতে পারে। ইদানিং উপসর্গহীন রোগী নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে কারণ রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে এটা বড় উদ্বেগের বিষয় বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। সে যাহোক, স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা হারানোও এ ভাইরাসে সংক্রমণের উপসর্গ হতে পারে! লন্ডনের গাইজ হাসপাতালের একদল বিশেষজ্ঞ পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণার ফলাফল দ্য জার্নাল অব আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনে গত ২২ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে।

    গাইজ হাসপাতাল, লন্ডনের চিকিৎসক ডেনিয়েল বোরসেত্তো এবং তার সহকর্মীরা জরিপটি পরিচালনার জন্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ইতালির ২০২ জন ব্যক্তিকে বেছে নেন। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তারা কী কী উপসর্গ প্রত্যক্ষ করেছেন তা ফোনের মাধ্যমে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।



    জরিপের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ৬৭ শতাংশ অর্থাৎ ১৩০জন রোগীর অভিমত, আক্রান্ত হওয়ার ঠিক আগে বা পারে অন্যান্য উপসর্গের পাশাপাশি তারা স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতায় কিছুটা পরিবর্তন উপলব্ধি করেছেন। ৬৮.৩ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের দুর্বলতা ছিল। ৬০.৪ শতাংশের অভিমত, তারা শুকনো বা সক্রিয় কাশিতে ভুগেছেন। আর ৫৫.৫ ভাগ রোগী জানিয়েছেন যে তাদের শরীরে অন্যান্য উপসর্গ ছাড়াও জ্বর ছিল।

    এই স্টোরিটিও আপনার ভালো লাগতে পারে : কোভিড-১৯ : কার্যকর ওষুধের খোঁজ পেতে কয়েক মাস লাগতে পারে : হু

    জরিপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, স্বাদ বা ঘ্রাণ সামর্থ্য হারানো একটি উপসর্গ হলেও এটি ভাইরাসে সম্ভাব্য পজিটিভ ব্যক্তির প্রথম বা একমাত্র উপসর্গ নাও হতে পারে। হলেও সেটা খুব কম রোগীর ক্ষেত্রে হতে পারে। যেমন জরিপে অংশ নেয়া মাত্র ১২ শতাংশ জানিয়েছেন যে, এটি তাদের প্রথম উপসর্গ ছিল। মাত্র ৩ শতাংশ জানিয়েছেন এটা তাদের একমাত্র উপসর্গ ছিল। প্রায় এক চতুর্থাংশের মত, স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা খোয়ানো ছাড়াও অন্যান্য উপসর্গ ছিল তাদের। আর ২৭ শতাংশ জানিয়েছেন যে, আক্রান্তের একেবারে শেষদিকে এসে তারা স্বাদ বা স্বাদবোধ হারিয়েছেন।

    গবেষকদের অভিমত, তাদের জরিপের ফলাফল নিশ্চিত হিসেবে ধরে নেয়া হলে করোনার মহামারিকালে যেসব ব্যক্তি স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা হারাচ্ছেন তাদেরকেও করোনা পরীক্ষা এবং আইসোলেশনে নেয়ার প্রয়োজন পড়বে।

    উল্লেখ্য, স্বাদ বা ঘ্রাণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলাটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘আনসমিয়া’ নামে পরিচিত। ড. ডেনিয়েল বোরসেত্তো ও তার সহকর্মীদের গবেষণা এ বিষয়ের উপর বিশ্বে এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় গবেষণা মাত্র। তাই এ বিষয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন পড়তে পারে। সূত্র : সিএনএন 

     

  • আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ