• লেইটেস্ট

    কামিং সুন

    শনিবার     ৬ জুন, ২০২০  

    সফলতা ও উন্নয়নে দরকার সঠিক তথ্য

    বি আওয়ার ফ্রেন্ডস

    যুক্তরাষ্ট্রে বিপর্যস্ত শিক্ষা কার্যক্রম, আক্রান্ত  অন্তত ৪,৪০০, প্রাণহানি বেড়ে ৮৬

    হার্ভার্ডের কয়েকজন শিক্ষার্থী জিনিসপত্র নিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করছে। ছবি-সংগৃহীত

    নভেল করোনাভাইরাস

    যুক্তরাষ্ট্রে বিপর্যস্ত শিক্ষা কার্যক্রম, আক্রান্ত অন্তত ৪,৪০০, প্রাণহানি বেড়ে ৮৬

    প্লানেট ডেস্ক | ১৩ মার্চ ২০২০ | ৯:৫০ অপরাহ্ণ

    যুক্তরাষ্ট্রে জানুয়ারি মাসে প্রথম নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর কথা নিশ্চিত করা হয়েছিল। অথচ এক মাসের কিছু বেশি সময়ের ব্যবধানে ১৬ মার্চ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্তত ৪,৪০০’র বেশি। ৪৯টি রাজ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া রাজ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী নিশ্চিত করা হয়নি। দেশজুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮৬ জন। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ১৩ মার্চ জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

    বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বলা যায় পুরো যুক্তরাষ্ট্রেই নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে। আর এই প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়েছে আক্রান্ত রাজ্যগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমে। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, ম্যাসাচুসেটস, ওয়াশিংটন রাজ্যে স্বল্প বা দীর্ঘ মেয়াদে স্কুল ও কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অন-ক্যাম্পাস পাঠদান বন্ধ করে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম সিদ্ধান্ত নিয়েছে।



    হার্ভার্ড, প্রিন্সটন, কলাম্বিয়া, স্টানফোর্ডসহ বেশ কয়েকটি নামীদামী ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস বা হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় উইন্টার টার্ম আগেভাগেই শেষ করে শিক্ষার্থীদের হোস্টেল বা ডরমিটরি ত্যাগের অনুরোধ জানিয়েছে। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান স্প্রিং টার্মের পুরোটাই অনলাইনে চালানোর পদক্ষেপ নিয়েছে। মূলত নিজস্ব কমিউনিটির সদস্যদের মাঝে ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    নিচের স্টোরিটিও আপনার ভালো লাগতে পারে :

    করোনায় আক্রান্ত কানাডার প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী!

    ওয়াশিংটন, নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন রাজ্যে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা কাউন্টির স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটির দুই শিক্ষার্থী ও মেডিসিন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে করে বলা যায়, দেশজুড়ে কয়েক লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আক্রান্ত অন্য সব দেশগুলোতেও একই চিত্র বিরাজ করছে।

    জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর তথ্যানুসারে, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী ২৬৩ মিলিয়ন অর্থাৎ ২০ শতাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।

    এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি ঘটেছে চারটি রাজ্যে-ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ম্যাসাচুসেটস। এর মধ্যে ওয়াশিংটনে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫৭ জন, মারা গেছেন ৩১; নিউইয়র্কে আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ৭২৯জন, মারা গেছেন অন্তত ৩জন, ক্যালিফোর্নিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৫ জন, মারা গেছেন চারজন এবং ম্যাসাচুসেটসে আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ১০৯জন। অবশিষ্ট প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ফ্লোরিডায় ২ জন এবং জর্জিয়া, কানসান, নিউ জার্সি ও সাউথ ডাকোটায় ১ জন করে।

    উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্যানুসারে, করোনাভাইরাসে বিশ্বের অন্তত ১৪০টি দেশ ও ভূখণ্ডে ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৬,৪০০ এর বেশি মানুষ। সেইসঙ্গে সংস্থাটি ইউরোপকে করোনার নতুন প্রাদুর্ভাবস্থল ঘোষণা দিয়েছে। প্রাণহানির দিক দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শীর্ষে চীন যেখানে ১৬ মার্চ নাগাদ ৩ হাজার ১৭৬ জন মারা গেছেন। আর দ্বিতীয় স্থানে ইতালি যেখানে অন্তত ১৪৪১ জন মারা গেছেন। আর আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজারের বেশি মানুষ। প্রাণহানির দিক দিয়ে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে ইরান। দেশটিতে সর্বশেষ খবর পর্যন্ত অন্তত ৭২৪ জন মারা গেছেন।

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ২০ জানুয়ারি ২০১৮

    ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

  • আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ