• লেইটেস্ট

    কামিং সুন

    বুধবার     ৫ আগস্ট, ২০২০  

    সফলতা ও উন্নয়নে দরকার সঠিক তথ্য

    বি আওয়ার ফ্রেন্ডস

    করোনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের ঝুঁকিতে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

    যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থী। ছবি-সংগৃহীত (প্রতীকী)

    করোনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের ঝুঁকিতে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

    প্লানেট ডেস্ক | ০৭ জুলাই ২০২০ | ৪:৩২ অপরাহ্ণ

    বিদেশি শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে সেসব প্রতিষ্ঠান যদি করোনা মহামারির কারণে শুধু অনলাইনে কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের দেশটি ছেড়ে চলে যেতে হবে কিংবা তারা নিজ নিজ দেশে প্রত্যবর্তনের ঝুঁকিতে পড়বেন। শুধু তাই নয়, ওই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় অথবা শুধু অনলাইনে পাঠদান করা হবে এমন প্রোগ্রামে আগামী ফল সেমিস্টারের জন্য (আগস্ট থেকে ডিসেম্বর) ভর্তি হওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসাও দেবে না যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস ইনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্সি ৬ জুলাই এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে।

    মার্কিন সরকারের এমন সিদ্ধান্ত দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসে বা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয় এমন হাজার হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীদের উপর বড় প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত। খবর সিএনএন



    করোনাভাইরাসের মহামারির ফলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পাঠদানের পরিবর্তে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত নেয়া শুরু করেছে। যেমন দেশটির বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ৬ জুলাই এক ঘোষণায় জানিয়েছে যে আসন্ন ফল সেমিস্টারে সমস্ত কোর্সের পাঠদান অনলাইনে দেবে তারা। ক্যাম্পাসের  ডরমিটরিতে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ওই সেমিস্টারের সমস্ত কোর্সের পাঠদান শুধু অনলাইনে হবে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এমন সিদ্ধান্তে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এমনিতেই একেবারে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের রাস্তা খুলেছে। তার উপর সরকারি সংস্থা আইস’র তরফে বিবৃতি দিয়ে উল্লিখিত পদক্ষেপের কথা জানানো হলো।

    এই স্টোরিটিও আপনার ভালো লাগতে পারে : পুরো বিশ্বের সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

    আইসের বিবৃতিতে বলা হয়, কিছু ভিসার আওতাধীন বিদেশি শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ অনলাইন কোর্সের ভার নেয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের প্রয়োজন নাও পড়তে পারে। একথা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘করোনার কারণে শুধু অনলাইনে পাঠদান চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এমন প্রতিষ্ঠানে ফল সেমিস্টারে কোনো প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের দেশটির পররাষ্ট্র দফতর ভিসা দেবে না; ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশনও এ ধরনের শিক্ষার্থীদের দেশটিতে ঢুকতে দেবে না।’

    উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পাঠদান চালু আছে এমন প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিদেশি শিক্ষার্থীদের ট্রান্সফারের বিষয়টি বিবেচনার মতো বিকল্প পন্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে আইস। তবে সেটা কতটা বাস্তবসম্মত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার শর্তাবলী এমনিতেই সবসময় বেশ কঠিন। এছাড়া শুধু অনলাইনে পাঠদান দেয়া হয় এমন কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য দেশটিতে আসা নিষিদ্ধ।

    উল্লেখ্য, ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের তথ্যানুসারে, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৯জন। এটা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ এবং এ নিয়ে টানা চার বছর ধরে দেশটিতে অধ্যয়নরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চীনের। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সেখানে দেশটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০জন। দেশটিতে উক্ত শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী পাঠানোর দিক দিয়ে পরের শীর্ষ চারটি দেশ ভারত (২০২,০১৪), দক্ষিণ কোরিয়া (৫২,২৫০), সৌদি আরব (৩৭,০৮০) ও কানাডা (২৬,১২২জন)।

  • আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ
    জাতিসংঘে শিক্ষানবিশ